1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
পিরোজপুর জেলাবাসীর প্রতি জেলা প্রেসক্লাব আহ্বায়ক ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল এর ঈদের শুভেচ্ছা; পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শংকরপাশা ইউনিয়নবাসীকে মোঃ সুমন খানের শুভেচ্ছা; দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ; পিরোজপুর-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদীর ঈদ শুভেচ্ছা; কদমতলা ইউনিয়নবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা আব্দুল আলীম খান; আত্রাইয়ে গঙ্গাস্নান উপলক্ষে দই-চিড়া ও মিষ্টির জমজমাট বেচাকেনা, বসেছে মেলা; আত্রাইয়ে সরকারি যাকাত ফান্ডের অর্থ দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ; পবিত্র লাইলাতুলকদর কেন তালাশ করবো আমরা ; সাপলেজা ইউনিয়নে ছাদ ঢালাইয়ের সময় দুর্ঘটনা: নির্মাণ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু; আত্রাইয়ে ভুটভুটি পুকুরে পড়ে অল্পের জন্য রক্ষা বহু প্রাণ, আহত ১;

ঐতিহাসিক বদর দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল;

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ১২৯ বার পঠিত

জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী।

আজ ১৭ রমাদান, ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের দিন
কুরআনের ভাষায়: এটি সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন উক্ত অনুষ্ঠানটি বরিশাল ২৮/২৯ নং ওয়ার্ড অনুষ্ঠিত হয়
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট মুয়াযম হোসাইন হেলাল কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওঃ শাহজাহান গাজী, সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মাহফজুর রহমান।প্রধান অতিথি বলেন
আজ ১৭ রমজান, ইয়াউমুল ফুরকান বা সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের দিন। দ্বিতীয় হিজরীর আজকের এই দিনে সঙ্ঘটিত হয়েছিল ইসলামের প্রথম ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ। আল্লাহ সেদিন তাঁর রাসূল (সা) ও মুমিনদের বিজয়ী এবং কাফির ও মুশরিকদের পরাজিত করার মাধ্যমে হক ও বাতিলের প্রভেদ প্রতিভাত করে দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ দিবসটিকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ তথা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণের দিন বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বদর যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ছিল, রাসূলুল্লাহ (সা) সংবাদ পান যে, আবু সুফিয়ান কুরাইশ কাফিরদের একটি বাণিজ্য দল নিয়ে সিরিয়া থেকে মক্কা ফিরছে। তিনি সাহাবিদের নির্দেশ দেন কুরাইশদের বাণিজ্য কাফেলার গতি রোধ করার জন্য বের হতে। কেননা কুরাইশরা রাসূলুল্লাহ (সা) ও তাঁর সাহাবিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। কাফির কুরাইশরা মুসলিমদের তাদের ঘরবাড়ি ও ধনসম্পদ থেকে বের করে দিয়েছিল; অবস্থান নিয়েছিল ইসলামের সত্যবাণীর দাওয়াতের বিরুদ্ধে।
রাসূলুল্লাহ (সা) ৩১০-এর বেশি বা ৩১৩ জন সাহাবিকে নিয়ে বদর অভিমুখে রওনা হন। তাদের ছিল কেবল দুইটি ঘোড়া ও ৭০টি উট, যাতে তারা পালাক্রমে চড়ছিলেন। এ যুদ্ধে ৭০ জন মুহাজির এবং অন্যরা আনসার মুজাহিদ ছিলেন। তারা বাণিজ্য কাফেলা ধরতে চেয়েছিলেন, যুদ্ধ করতে চাননি। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা নির্ধারিত সময়ে তাঁর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মুসলিম ও শত্রুদেরকে মুখোমুখি দাঁড় করালেন। আবু সুফিয়ান মুসলিমদের অবস্থা জানতে পেরে কুরাইশদের কাছে এ মর্মে একজন চিৎকারকারী সংবাদবাহক পাঠায়, যেন কুরাইশরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে তার সাহায্যে এগিয়ে আসে। তাই আবু সুফিয়ান রাস্তা পরিবর্তন করে সমূদ্র উপকূল ধরে রওনা দিল এবং নিরাপদে পৌঁছে গেল। কিন্তু কুরাইশ সম্প্রদায় তাদের কাছে চিৎকারকারীর মাধ্যমে সংবাদ পৌঁছামাত্রই তাদের নেতৃস্থানীয় ১ হাজার লোক সদলবলে যুদ্ধের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। তাদের ছিল ১০০টি অশ্ব ও ৭০০ উট। আল্লাহর ভাষায় তারা বের হয়েছিল, ‘অহঙ্কার ও লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে এবং আল্লাহর রাস্তা থেকে বাধা প্রদান করতে।’ (সুরা আনফাল : ৪৭)।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews